নিজের টুইটার একাউন্টে মমতা ব্লক করলেন রাজ্যপালকে - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


নিজের টুইটার একাউন্টে মমতা ব্লক করলেন রাজ্যপালকে

Share This

নিজের টুইটার একাউন্টে মমতা ব্লক করলেন রাজ্যপালকে


আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩১/০১/২০২২ :  রাজ্যপালের সাথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দূরত্ব বাড়ল আরও কিছুটা। আজ টুইটার একাউন্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে ব্লক করে দেন।  এই খবরটি আজ নবান্নে সাংবাদিকদের জানান মমতা নিজেই। 

আজ নবান্নে রাজ্যের করোনা সংক্রান্ত বিধি নিষেধ নিয়ে নতুন বার্তা দেওয়ার ফাঁকেই মমতা বলেন, "আমি খুব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, আজ আমি একটা কাজ করেছি। আমি আজ আমার টুইটার একাউন্ট থেকে রাজ্যপালকে ব্লক করে দিয়েছি। রাজ্যপাল যেভাবে প্রতিদিন রাজ্য সরকারকে কটু কথা বলে চলেছেন, যে ব্যবহার উনি প্রতিদিন করে চলেছেন, তাতে আমি খুব বিরক্ত হয়েই আজ এই কাজটা করেছি। আমার একাউন্ট থেকে আমি ওনাকে আজ থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছি।"

মমতা বলেন, "রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের সব উচ্চপদস্ত আধিকারিকদের একের পর এক বিষয় নিয়ে ডেকে পাঠাচ্ছেন। তাঁর যদি সত্যিই কিছু জানার থাকত তাহলে তিনি প্রশ্ন তুলতেই পারতেন, কিন্তু যেভাবে উনি কাজ করছেন সেটা রাজ্য সরকার বা রাজনৈতিক দলের কাজ।  রাজ্যপাল হিসেবে ওঁর এই আচরণকে মেনে নেওয়া যায় না।  উনি এমন আচরণ করছেন যেন আমরা সবাই তাঁর চাকর !  রাজ্যপাল সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করেই সংবিধান মেনে সব কিছু হচ্ছে কিনা তা দেখেন, কিন্তু এখানে উনি সব বিষয়েই নির্দেশ দিয়ে চলেছেন। এটা  মেনে নেওয়া যায় না।  উনি ভুলে যাচ্ছেন উনি মনোনীত আর আমরা নির্বাচিত। এরপর মানুষ এই সব কিছুর জবাব দেবে। আমি রাজ্যপালের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চারটে  চিঠি দিয়েছি, তা সত্বেও উনি কোনো ব্যবস্থা নেন নি।  আজ একরকম বাধ্য হয়েই আমি রাজ্যপালকে টুইটার একাউন্ট থেকে ব্লক করে দিয়েছি। উনি প্রতিদিন যেভাবে রাজ্য সরকারকে একিউজ এবং এবিউজ করে যাচ্ছিলেন, এছাড়া আমার আর কিছু করার ছিল না। "

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সাথে রাজ্য সরকারের বিবাদ চলছে অনেক দিন থেকেই। আজ সকালে নতুন দিল্লীতে সংসদে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ যখন সামনের সারিতে বসে থাকা সাংসদদের সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করছিলেন, সেই সময় তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন 'অনুগ্রহ করে বাংলার রাজ্যপালকে সরিয়ে নিন।' সুদীপবাবুর এই আচরণের সমালোচনা করে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, "রাজ্যপাল সরে গেলে ওদের দুর্নীতি করতে আরও সুবিধা হয়, তাও ওরা চাইছে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপাল সরে যান।"  তবে রাজ্যপাল ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। 

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages