রাজ্যে যানজট এড়াতে আভ্যন্তরীন জলপথে পরিবহনে ছাড়পত্র কেন্দ্রের - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


রাজ্যে যানজট এড়াতে আভ্যন্তরীন জলপথে পরিবহনে ছাড়পত্র কেন্দ্রের

Share This

রাজ্যে যানজট এড়াতে আভ্যন্তরীন জলপথে পরিবহনে ছাড়পত্র কেন্দ্রের


আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০১/২০২১ : পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জলপথের পরিবহণে পরিকাঠামোর উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সঙ্গে ১০ কোটি ৫০ লক্ষ ডলারের প্রকল্প রূপায়ণে কেন্দ্র ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহণ, লজিস্টিকস ও আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে হুগলী নদীতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ব্যবস্থায় এর ফলে উন্নতি হবে। এছাড়াও বৃহত্তর কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করা যাবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে এবং রাজ্যের লজিস্টিক ক্ষেত্রের উন্নয়ন ঘটবে।

কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের আর্থিক বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ডঃ সি এস মহাপাত্র বলেছেন, অভ্যন্তরীণ জলপথ যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে ব্যয় সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব একটি ব্যবস্থা। এই প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গে নদীপথ পরিবহণ পরিকাঠামোর উন্নতির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বাজারগুলির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতি ঘটানোর ফলে আর্থিক উন্নয়নে সাহায্য করবে এবং বৃহত্তর কলকাতায় আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

কেন্দ্রের পক্ষে ডঃ সি এস মহাপাত্র, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে ডেপুটি রেসিডেন্ট কমিশনার শ্রী রাজদীপ দত্ত এবং বিশ্ব ব্যাঙ্কের পক্ষে ভারতের দায়িত্বে থাকা কান্ট্রি ডিরেক্টর মিঃ জুনেইদ আহমেদ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

পশ্চিবঙ্গের দক্ষিণের ৫টি জনবহুল জেলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবে। বৃহত্তর কলকাতার এই অঞ্চলের উপ-নগরীগুলিতে প্রায় ৩ কোটি মানুষ অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার ১ তৃতীয়াংশ মানুষ বাস করেন।

মিঃ আহমেদ জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে কলকাতার আর্থিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়বে, কারণ জলপথ পরিবহন, নগর জীবনে একটি দক্ষ ও সুরক্ষিত ব্যবস্থা। কলকাতার কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই প্রকল্প বৃহত্তর কলকাতাকে একটি পরিবহণ ও লজিস্টিক হাবে পরিণত করতে সাহায্য করবে। এখান থেকে উত্তর পূর্বাঞ্চল এবং স্থল বেষ্টিত দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও ভূটানের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে।

হুগলী নদী, গঙ্গার একটি শাখানদী। কলকাতা বন্দর শহরের পাইকারি বাজার সহ সন্নিহিত অঞ্চলের থেকে আলাদা হয়ে রয়েছে। এই অঞ্চলের ৮০ শতাংশ পণ্য ও যাত্রী পরিবহণ কলকাতার ৩টি সেতুর মাধ্যমে হয়ে থাকে। শহরে যানজট এড়াতে ট্রাক ও লরি চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা রয়েছে। এর ফলে বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগের সময় কম এবং এই কারণে লজিস্টিক ব্যয় বেড়ে যায়।

পশ্চিমবঙ্গের জলপথ ব্যবস্থা যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে সময় ও অর্থের সাশ্রয় করতে পারে। বর্তমান ফেরি ব্যবস্থা বেশ কয়েক দশক ধরে থাকলেও মোট যাত্রী পরিবহণের ২ শতাংশেরও কম এটি ব্যবহার করেন। আর পণ্য পরিবহণে এই পরিমাণ আরও কম। জলপথ পরিবহণের পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটালে রাজ্যের বিপুল মানুষ একটি বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ পাবেন।

এই প্রকল্পের প্রথম পর্বে অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষমতা ও সুরক্ষা বাড়ানো হবে। এই পর্বে যে জেটিগুলি রয়েছে সেগুলির সংস্কার, নতুন জলযান কেনা ছাড়াও ৪০টি জায়গায় বৈদ্যুতিন গেট বসানো হবে। দ্বিতীয় পর্বে যাত্রী পরিবহণের জন্য বিভিন্ন টার্মিনাল ও জেটিতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করা হবে। এছাড়াও জলযানগুলির নকশার পরিবর্তন ঘটানো বিপদসঙ্কুল জায়গায় রাত্রিকালীন দিক নির্দেশনার ব্যবস্থা করা হবে। হুগলী নদীর এক তীর থেকে অন্য তীরে ট্রাক পরিবহণের জন্য রো রো ভেসল-এ বিনিয়োগ করতে বেসরকারী সংস্থাগুলিকে উৎসাহিত করা হবে।

বন্যা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মোকাবিলায় অত্যাধুনিক ফ্লোটিং জেটির ব্যবস্থা করা হবে যাতে যাত্রীদের ফেরি পরিষেবা ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। এছাড়াও ভিন্নভাবে সক্ষম যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা, মহিলাদের নিরাপত্তা, ও ফেরি পরিষেবায় মহিলা কর্মী নিয়োগে উৎসাহ দেওয়া হবে।

১৭ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পে ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট থেকে ১০ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারের ঋণ পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পের জন্য আরও ৭ বছর অতিরিক্ত সময়সীমা বরাদ্দ করা হয়েছে।

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages