প্রয়াত হলেন এমডিএইচ গুঁড়ো মশলার প্রতিষ্ঠাতা ধরমপাল গুলাঠি - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


প্রয়াত হলেন এমডিএইচ গুঁড়ো মশলার প্রতিষ্ঠাতা ধরমপাল গুলাঠি

Share This

প্রয়াত হলেন এমডিএইচ গুঁড়ো মশলার প্রতিষ্ঠাতা ধরমপাল  গুলাঠি


আজ খবর (বাংলা), নতুন দিল্লী, ভারত, ০৩/১২/২০২০ : প্রয়াত হলেন ভারতের গুঁড়ো মশলা জগতের বেতাজ বাদশা MDH গুঁড়ো মশলার প্রতিষ্ঠাতা শ্রী ধরমপাল গুলাঠি। ৯৭ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি আজ পরলোকে গমন করলেন।

বর্তমানে দেশের প্রায় প্রত্যেক ঘরেই থাকে এমডিএইচ গুঁড়ো মশলা। দেশজোড়া খ্যাতি এই ব্র্যান্ডের। সেইসঙ্গে এই ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে জনপ্রিয় মডেল ছিলেন তিনি নিজেই। এমডিএইচ গুঁড়ো মশলার বিজ্ঞাপনেই তাঁকে সবসময় দেখা যেত।ধরমপাল গুলাঠির  পাকানো সাদা গোঁফ এবং লাল পাগড়িতে হাসিমুখ এমডিএইচ মশলার বিজ্ঞাপনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল আর তার সাথে ছোট্ট একটা গানের কলি "আসলি মশালে সচ সচ।"

ধরমপাল  গুলাঠিই  বোধ হয় দেশের সবচেয়ে প্রবীণ বিজ্ঞাপনের মডেল ছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মশলা দেশের প্রত্যেক কোনায় সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে জায়গা পেয়েছে। মশলা জাগাতে তিনিই ছিলেন পথিকৃৎ। ধরমপালের জন্ম হয়েছিল ১৯২৩ সালে শিয়ালকোটে (অধুনা পাকিস্তান)। তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন মাত্র ১০ বছর বয়সে। ক্লাস ফাইভে পড়াশুনা করতে করতেই তাঁকে  স্কুল ত্যাগ করতে হয়েছিল। 

জীবনে নানারকম ব্যবসা করেছিলেন, কিন্তু সেভাবে সফল হননি। প্রথম জীবনে বাবার সাথে শুরু করেছিলেন আয়নার  ব্যবসা, তারপরে সাবানের ব্যবসা। কিন্তু জমাতে পারেন নি। এরপর কিছুদিন ছুতোর মিস্ত্রির কাজ করেন। তারপর ফের ব্যবসা, প্রথমে কাপড়ের ব্যবসা, তারপর হার্ড ওয়ারের ব্যবসা এবং শেষমেশ চালের ব্যবসা, কিন্তু কোনোটাতেই তিনি সুবিধা করে উঠতে পারছিলেন না।

১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাত্র ১৫০০ টাকা সম্বল করে তিনি চলে আসেন দিল্লীতে। কারোলবাগে  ছোট্ট একটি কাঠের গুমটিতে পারিবারিক মশলা বানানোয় হাত পাকিয়ে শুরু করেন মশলা ব্যবসা। সেই দোকানের নাম ছিল 'মহাশিয়া দি হাট্টি' , সবাই বলত  'ডেগ্গি কে মশলা'। এবার কিন্তু তাঁর ভাগ্য ঘুরে দাঁড়াল। অবশ্য তার পিছনে ছিল প্রচন্ড পরিশ্রম এবং ধৈর্য্য। তৈরি হয়ে গেল মশলা ব্র্যান্ড 'মহাশিয়া দি হাট্টি', যার শর্ট ফর্ম 'এমডিএইচ' গুঁড়ো মশলা। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয় নি।  গোটাদেশের মন জয় করেছে এই এমডিএইচ গুঁড়ো মশলা।

এরপর ১০ শয্যা বিশিষ্ট একটি ছোট হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন, যে হাসপাতাল এখন ৫ একর জায়গা নিয়ে অত্যাধুনিক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। যাদের লেখাপড়া করার মত সামর্থ্য নেই এমন পড়ুয়াদের জন্যে তৈরি করে দিয়েছেন ২০টি স্কুল। ভারত সরকার তাঁকে পদ্ম ভূষণ সন্মান ছাড়াও দেশের সর্বোচ্য তৃতীয় নাগরিকের সন্মান দিয়েছে। আজ এই প্রবীণ উদ্যোগপতির মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, আপ নেতা  মনীশ শিশোদিয়া ছাড়াও অন্যান্যরা।

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages