কাশ্মীরি জঙ্গীদের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়েছে, অভাব অর্থেরও - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


কাশ্মীরি জঙ্গীদের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়েছে, অভাব অর্থেরও

Share This

কাশ্মীরি জঙ্গীদের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়েছে, অভাব অর্থেরও


আজ খবর (বাংলা), শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ০৯/১১/২০২০ : জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গীদের হেফাজত থেকে যে সব অস্ত্রশস্ত্র ধরা পড়ছে, তাতেএ কে সিরিজের বন্দুকের চেয়ে পিস্তলের সংখ্যাই বেশি। তাতে মনে  করা হচ্ছে, জঙ্গীদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্রের যোগান কমেছে অনেকটাই। 

এ বছর অর্থাৎ গত ১৫ই অক্টবর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে মোট ১৯০ টি হিংসাত্মক ঘটেছে। তার মধ্যে ১০০টি ক্রস বর্ডার ফায়ারিং-এর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ৪৪টি গ্রেনেড আক্রমন এবং ১টি আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটিয়েছে জঙ্গীরা।সেনা আধিকারিকরা বলছেন, "গত মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত জঙ্গীদের হেফাজত থেকে যত অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে পিস্তলের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে ৫ তারিখ পর্যন্ত মোট ১৫২টি একে ৪৭ স্বয়ংক্রিয় বন্দুক এবং ২০৩টি পিস্তল পাওয়া গিয়েছে জঙ্গীদের হেফাজত থেকে। 

তাহলে কি পিস্তল নিয়েই জঙ্গীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনীর সাথে লড়াই করতে ? আসলে জঙ্গীদের মধ্যে যারা একটু সিনিয়র, তাদের হাতে দেওয়া হচ্ছে এ কে  সিরিজের বন্দুক, আর বাকীদের হাতে গুঁজে দেওয়া হচ্ছে  পিস্তল। যা দেখে বোঝা  যাচ্ছে,জঙ্গীদের অস্ত্র সম্ভারে টান পড়েছে। নতুন অস্ত্র কেনার জন্যে তাদের টাকা পয়সায় টান পড়েছে। না হলে পিস্তল হাতে দিয়ে ভারতীয় সেনার সাথে লড়াই করার মত বোকামী দুনিয়ার কোনো জঙ্গী সংগঠন করবে না।


শুধু তাই নয়, চলতি বছরে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গি নিধনে যেভাবে তৎপরতা দেখাতে শুরু করেছে, যেভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় চিরুনী তল্লাশি চালিয়ে দিনের পর দিন নিরাপত্তা বাহিনী  নির্বিচারে জঙ্গী মারতে শুরু করে দিয়েছে, তাতে জঙ্গী সংঠনগুলোর কোমর ভেঙে দেওয়ার পরিস্থিতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জঙ্গী নিধন যজ্ঞে ভারত যে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র থেকে শুরু করে স্যাটেলাইটের ব্যবহার পর্যন্ত করছে, যেভাবে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী একের পর এক নাশকতার ছক বানচাল করে দিচ্ছে, এবং কেন্দ্র সরকার তাতে সরাসরি মদত দিয়ে যাচ্ছে, তাতে জঙ্গী সংঠনগুলোর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলা গিয়েছে। 

তার পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে তরুণদেরকে আত্মসমর্পনের সুযোগ করে দিয়ে নব্য জঙ্গীদের পরিবারকেও মিশনের সাথে মিশিয়ে ফেলছে, তাতে কাশ্মীর উপত্যকায় জঙ্গীগিরি যে দীর্ঘদিন চালানো যাবে না তা বেশ টের পাচ্ছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীর দল। শুধু তাই নয়, রীতিমত ব্ল্যাক লিস্টে নাম এর তালিকা বের করে জঙ্গী সংগঠন বিশেষ করে হিজবুল মুজাহিদিনের হেড কমান্ডারদের এর মধ্যেই নিকেশ করে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গীরা এখন জানে, বড়সড় কোনো নাশকতা করলে ভারতীয় বাহিনী 'সার্জিকাল স্ট্রাইক' করে পাকিস্তানে ঢুকে তাদের ধ্বংস করে দেবে। তাই সেই পথে আর এগোতে চাইছে না জঙ্গী সংঠনগুলো। এর সাথে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ তো আছেই। 

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages