'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে কৃষকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কন্ঠে - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে কৃষকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কন্ঠে

Share This

'মন কি বাত'  অনুষ্ঠানে কৃষকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কন্ঠে


আজ খবর (বাংলা), নতুন দিল্লী, ভারত, ২৮/০৯/২০২০ : রবিবারের 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে দেশের কৃষকদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী  তাঁর 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে বলেছেন, কোভিড সঙ্কটের সময়ও দেশের কৃষকরা তাঁদের শক্তির পরিচয় দিয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের কৃষি পরিষেবা, আমাদের কৃষক বন্ধুরা, আমাদের গ্রাম আত্মনির্ভর ভারতের প্রধান শক্তি। এদের ক্ষমতায়নই মাধ্যমেই আত্মনির্ভর ভারতের ভীত। এঁরা শক্তিশালী হলে ভারতের ভীত মজবুত হবে। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষেত্র তার নানা রকম সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করেছে, বহু প্রচলিত ধ্যানধারণা ভাঙার চেষ্টা করেছে। তিনি কানওয়ার চৌহানের উদাহরণ দেন। হরিয়ানার সোনিপত জেলায় শ্রী চৌহানকে মান্ডির বাইরে সবজি ও ফল বিক্রি করার জন্য  নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। যখন উনি মান্ডির বাইরে ফল ও সবজি বিক্রি করতে গেছেন, অনেক বারই ওঁর ফল, সবজী, এমনকি গাড়ীও আটক হয়ে  যেত। কিন্তু ২০১৪ সালে ফল ও সবজি কে এপিএমসি আইনের আওতার বাইরে করে দেওয়া হল। এতে ওঁর মত অনেক কৃষকেরা লাভবান হলেন। চার বছর আগে উনি এবং ওই গ্রামের আরো কিছু কৃষক মিলে একটি কৃষি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করেন। এখন গ্রামে কৃষকেরা সুইট কর্ন এবং বেবি কর্নের চাষ করেন। ওঁদের উৎপাদিত ফসল এখন দিল্লীর আজাদপুর মান্ডি, বড় বড় রিটেল চেন এবং ফাইভ স্টার হোটেলেও সরাসরি পৌঁছে যায়। এখন গ্রামের এই কৃষকেরা সুইট কর্ন এবং বেবিকর্নের চাষ করে একর প্রতি আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা বছরে আয় করেন। শ্রী মোদী বলেছেন, নিজের ফল- সবজিগুলো যেকোনো জায়গার যে কোনো লোককে বিক্রি করার ক্ষমতা আছে, আর এই ক্ষমতাই তাঁদের প্রগতির ভিত্তি। আজ সেই সামর্থ্য দেশের অন্যান্য কৃষকেরাও লাভ করেছেন। শুধু ফল বা শাকসব্জি‌-ই নয়, নিজেদের খেতে কৃষকেরা যা যা উৎপাদন করছেন- ধান, গম, সরষে, আখ - সেই সমস্ত কিছুই নিজেদের ইচ্ছামতো, যেখানে ভালো দাম মিলবে, সেখানে বিক্রি করার স্বাধীনতা মিলেছে তাঁদের।    

প্রধানমন্ত্রী, ফল ও শাক-সব্জিকে এপিএমসি-এর আওতার বাইরে নিয়ে আসার ফলে কৃষকদের লাভের উদাহরণ দেন। তিনি উদাহরণ দিয়েছেন ‘শ্রী স্বামী সমর্থ ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেড’-এর। এটি কৃষক বন্ধুদের একটি গোষ্ঠী। পুনে এবং মুম্বাইতে কৃষকরাই 'সাপ্তাহিক বাজার' পরিচালনা করছেন। এই বাজারগুলিতে প্রায় সত্তরটি গ্রামের সাড়ে চার হাজার কৃষকের উৎপাদন সরাসরি বিক্রি করা হয়ে থাকে, মাঝখানে কোন দালাল নেই। গ্রামের যুবকেরা চাষের কাজ এবং সরাসরি ফসল বেচার বাজারে অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানে আরেকটি উদাহরণ দিয়েছেন তামিলনাড়ুর থৈনি জেলার ‘তামিলনাড়ু কলা-চাষী উৎপাদন কোম্পানী’-র। নামে কোম্পানি হলেও আসলে এটি কৃষকদের একটি গোষ্ঠী। এঁদের ব্যবস্থাটি খুব নমনীয়। কৃষক বন্ধুরা পাঁচ-ছ' বছর আগে এটি স্থাপন করেন। সাম্প্রতিক লকডাউন  এর সময় এই কোম্পানি  আশপাশের গ্রামগুলির কৃষকদের থেকে শতাধিক মেট্রিক টন শাকসব্জি এবং ফল, কলা কিনে নেয়। আর চেন্নাই শহরে শাকসব্জির কম্বো কিট বিতরণ করে। এরকমই  লখ্নৌ শহরের  "ইরাদা ফার্মার প্রডিউসার" কথাও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন। তাঁরাও লকডাউন চলাকালীন কৃষকদের থেকে শাকসব্জি ও ফল সরাসরি কিনে লখ্নৌ-এর বাজারে সরাসরি বেচে দেন। এইভাবে দালালদের হাত থেকে কৃষকদের মুক্তি ঘটেছে এবং তাঁরা তাঁদের ফসলের ন্যায্য দাম পেয়েছেন।     

মোদী বলেছেন, গুজরাতের বনসকান্থা জেলার রামপুরা গ্রামে ইসমাইল ভাই নামে এক কৃষকবন্ধুর উদ্ভাবনের কথা। পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও তিনি কৃষিকাজে যোগ দেন। তিনি চাষ শুরু করেন  প্রগতিশীল এবং উদ্ভাবনী পন্থায়। “ড্রিপ ইরিগেশন” পদ্ধতির সাহায্যে আলু চাষ শুরু করেন ইসমাইল ভাই। আর আজ ওঁর উৎপাদিত আলুর  এক বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। উনি যে আলু চাষ করছেন তার গুণগতমান খুব উন্নত। ইসমাইল ভাই এই আলু সরাসরি বড় কোম্পানিগুলিকে বিক্রি করেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের উৎপাত না থাকায়, ইসমাইল ভাই প্রচুর লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মণিপুরের বিজয়শান্তির নতুন উদ্ভাবনের ফলে খ্যাতি লাভের কথা জানিয়েছেন। তিনি পদ্মফুলের ডাটি থেকে সুতো বানানোর  একটি  নতুন উদ্যোগ চালু করেছেন। তাঁর এই উদ্ভাবনের ফলে  পদ্ম চাষ আর বস্ত্রশিল্পের মধ্যে একটা মেলবন্ধন ঘটেছে।     

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages