দেশের মধ্যে ৭ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


দেশের মধ্যে ৭ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস

Share This

দেশের মধ্যে ৭ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস


আজ খবর (বাংলা),  নতুন দিল্লী, ভারত, ২৪/০৯/২০২০ : দেশের মোট মধ্যে ৭টি রাজ্যেই করোনা ভাইরাস তার থাবা সবচেয়ে বেশি চওড়া  করেছে এবং এই ৭টি রাজ্যেই সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনা সংক্ৰমিত হয়ে প্রাণ  হারিয়েছেন  বলে মূল্যায়ন করেছে দেশের কেন্দ্র সরকার। এই সাত রাজ্যগুলি হল মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, দিল্লী, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ৭টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতির প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনার উপর পর্যালোচনা বৈঠকে পৌরহিত্য করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাডু, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পুলিশের মহানির্দেশকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের আধিকারিকরা, ক্যাবিনেট সচিব, নীতি আয়োগের সদস্য, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং আইসিএমআর সহ অন্যান্য সংস্থার আধিকারিকরাও বৈঠকে যোগ দেন। 
 
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব, দেশের কোভিড পরিস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিতভাবে তথ্য উপস্থাপন করেছেন। দেশে মোট চিকিৎসাধীন সংক্রমিতর ৬২ শতাংশ এবং কোভিডের কারণে মৃত্যুর ৭৭ শতাংশ ঘটনাই এই ৭টি রাজ্যের। উপস্থাপনার সময় বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণের হার বৃদ্ধি, নমুনা পরীক্ষা, মৃত্যুর হার ও নমুনা পরীক্ষার পর সংক্রমিতের হার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
 
মুখ্যমন্ত্রীরা নিজ নিজ রাজ্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করেছেন। পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাঁরা কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এই ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল হ্রাস করতে রাজ্যগুলিকে সমস্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য প্রচুর নমুনা পরীক্ষা, মৃত্যুর হার কমানো এবং কোভিড সংক্রান্ত সুরক্ষা মেনে চলার বিষয়েও  গুরুত্ব দিয়েছেন। 
 
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে সব জেলায় কোভিডের সংক্রমণ বেশি, সেগুলিকে চিহ্নিত করে যথাযথ ভাবে সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে প্রচার চালাতে হবে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কোভিড – ১৯ এর ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীল উদ্যোগ গ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তাকে জনআন্দোলনে পরিণত করতে হবে। আসন্ন উৎসবের মরশুমে কোভিড সংক্রান্ত নিয়মাবলী যথাযথ ভাবে মেনে চলার ওপরও তিনি জোর দেন। বিভিন্ন নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা এবং কনটেনমেন্ট এলাকাগুলিতে নজরদারী চালাতে হবে। সংক্রমিতদের সংস্পর্শে যাঁরা যাঁরা এসেছেন, তাদের চিহ্নিত করতে হবে এবং সংক্রমণ আটকাতে যাঁরা বিভিন্ন জটিল অসুখে ভুগছেন ও প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন, ওষুধপত্র এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার উপর প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছেন। মৃত্যুর হার কমানোর জন্য চিকিৎসার নিয়মাবলী যথাযথভাবে প্রয়োগ করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রী মোদী বলেছেন, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ পাশাপাশি তৃণমূল স্তরে হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, নাগরিকদের সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোভিড – ১৯ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনার লড়াই এখনও আরো অনেকটা করতে হবে এবং সব রাজ্যকে এই মহামারীর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।
 
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages