সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সাথে অন্তরঙ্গ বৈঠক সেরে রাখল ভারত - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সাথে অন্তরঙ্গ বৈঠক সেরে রাখল ভারত

Share This

সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সাথে অন্তরঙ্গ বৈঠক সেরে রাখল ভারত


আজ খবর (বাংলা), ,নতুন দিল্লী, ভারত, ০২/০৯/২০২০ : কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ মন্ত্রী মিঃ সিমন বিরমিংহাম এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী মিঃ কাজিয়ামা হিরোশি আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। মুক্ত, স্বচ্ছ, সমন্বিত, বৈষম্যহীন এবং স্থিতিশীল ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তাঁরা খোলা বাজারের বিষয়ে তাঁদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ব জুড়ে যে পরিবর্তন হয়েছে, মন্ত্রীরা তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সরবরাহ শৃঙ্খলকে স্বাভাবিক রাখার জন্য কি কি করণীয় তা নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সরবরাহ শৃঙ্খলের বিষয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রশ্নে মন্ত্রীদের মধ্যে মতবিনিময় হয়। তাঁরা এ বছরের শেষের দিকে এ সংক্রান্ত নতুন উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত করার জন্য নিজ নিজ দেশের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে বাণিজ্য ও শিক্ষা মহলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি আলোচনায় স্থান পেয়েছে। মন্ত্রীরা এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলিকেও প্রস্তাবিত উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

ত্রিপাক্ষিক এই বৈঠকে শ্রী গোয়েল বলেছেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখার জন্য এই উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার সুযোগ গড়ে তুলবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মে মাসে এই সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিৎ বলে মত প্রকাশ করেছেন। একটি বিশ্বাসযোগ্য, নির্ভরশীল সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে ভারত সবরকমের উদ্যোগে সাহায্য করবে। এই শৃঙ্খলের বৈচিত্র্যের দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, মূল্যের ওঠা-নামার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যাতে এই তারতম্য বেশি না হয়। শ্রী গোয়েল আরও বলেছেন, এর জন্য নির্মাণ শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রগুলিকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করতে হবে কারণ এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রসঙ্গে তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশনের প্রয়োগের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। কোভিড মহামারীর সময়ে যা অত্যন্ত সুবিধা হয়েছে কারণ, নিয়ামক সংস্থাগুলিকে সঙ্কটের এই সময়ে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করতে হয়নি। তারা বৈদ্যুতিন প্রক্রিয়ায় নথিপত্রের আদানপ্রদান সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ করেছে। 

শ্রী গোয়েল আরও বলেছেন, যেসব দেশগুলি একই ভাবে  চিন্তা করে,  তাদের এই প্রক্রিয়ায় সামিল করা অত্যন্ত জরুরি। এই সরবরাহ শৃঙ্খলের কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মধ্যে রয়েছে বাজার-ভিত্তিক নীতিমালা গ্রহণ, জনবিন্যাস, উন্নয়নের সম্ভাবনা, আর্থিক পরিস্থিতি, ঋণের বোঝা এবং ভৌগোলিক-রাজনৈতিক কৌশল।

অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানকে এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে উল্লেখ করে শ্রী গোয়েল বলেছেন, ২০১৯-এ এই তিনটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৯,৩০০ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল। এর মধ্যে পণ্য সংক্রান্ত বাণিজ্য ২,৭০০ লক্ষ কোটি ডলার এবং পরিষেবা সংক্রান্ত বাণিজ্য ৯০০ কোটি ডলার হয়েছে। শ্রী গোয়েল মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে এই অঞ্চলে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর যেসব সুযোগ রয়েছে সেগুলিকে কাজে লাগাতে হবে। এই দেশগুলির মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির গুরুত্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী বলেছেন, ভারতের বহু পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়, আবার জাপানের অনেক পণ্য আমদানি করা হয়। এক্ষেত্রে প্রাধান্য মাশুলের পরিমাণ এমন হওয়া প্রয়োজন যাতে জাপানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে যে বেশি মাশুল গুনতে হয় তার পরিমাণ হ্রাস করার উদ্যোগ নেওয়া যায়।  সে ক্ষেত্রে ইস্পাত, সামুদ্রিক পণ্য, কৃষিজাত পণ্যের প্রক্রিয়াকরণ, প্লাস্টিক, কাপড়, কার্পেট এবং জুতোর মতো সামগ্রী ভারত থেকে রপ্তানির সুযোগ সেক্ষেত্রে বাড়বে। তিনি আশা করেন, প্রস্তাবিত উদ্যোগের ফলে পারস্পরিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। 

ভারতের আত্মনির্ভর হওয়ার নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শ্রী গোয়েল বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানোর অন্যতম উদ্দেশ্য সরবরাহ শৃঙ্খলকে যথাযথভাবে বজায় রাখা। এর মধ্য দিয়ে ভারত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ভারতের ঐতিহ্য সারা বিশ্বকে একটি বৃহৎ পরিবার হিসেবে গণ্য করা। আর তাই কোভিড মহামারীর সময়ে ভারত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণিত হয়, আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নির্ভরশীল অংশীদার। মন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে এই বিশ্বাসকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages