ফের কেরালার মালাপ্পুরামে অন্তঃসত্ত্বা বুনো মোষকে গুলি করে হত্যা করা হল - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


ফের কেরালার মালাপ্পুরামে অন্তঃসত্ত্বা বুনো মোষকে গুলি করে হত্যা করা হল

Share This

ফের কেরালার মালাপ্পুরামে অন্তঃসত্ত্বা বুনো মোষকে গুলি করে হত্যা করা হল

আজ খবর (বাংলা), মালাপ্পুরম, কেরালা, ২১/০৮/২০২০ : কেরালা কি পশুদের জন্যে ক্রমেই নরকে পরিণত হতে চলেছে ? এই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দেশের পশুপ্রেমীরা। কেরালার মালাপ্পুরামে একটি অন্তঃসত্ত্বা বুনো মোষকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার জন্যে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হল। 

"কেরালার মালাপ্পুরম জেলার নীলাম্বর ফরেস্ট রেঞ্জের কাছে একটি বুনো অন্তঃসত্ত্বা মোষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের জন্যে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের কাছে মোট ২৫ কিলো মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, মোষটিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল," জানালেন নীলাম্বর ফরেস্ট রেঞ্জের অফিসার সুরেশ। জানা গিয়েছে বুনো মোষ দেশের সংরক্ষিত পশু তালিকার মধ্যে ১ নম্বর গ্রেডে রয়েছে। 

কেরালার এই মালাপ্পুরম জায়গাটি ক্রমেই নরক হয়ে উঠছে পশুদের জন্যে। এই অঞ্চলটি পাহাড়ি অরণ্যে ঘেরা। অনেক সময় অরণ্য থেকে পশুরা খাবারের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসে আর তার পরেই তাদের কপালে জোটে নির্মম মৃত্যু। এই  মালাপ্পুরামেই মাস দুয়েক আগে একটি অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীকে আনারসের সাথে বোমা পুড়ে খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে অসম্ভব কষ্ট পেয়ে প্রাণ হারাতে হয়েছিল হস্তিনীকে। তারও কিছুদিন আগে এই অঞ্চলেই মেরে ফেলা হয়েছিল আর এক হাতিকে। সেই হাতিটিকেও মরতে হয়েছিল ভীষণ কষ্ট পেয়ে। 

কেরালার বিভিন্ন অঞ্চলে পশু নির্যাতনের ঘটনা  প্রায়ই প্রকাশ্যে  চলে আসে। কখনো বুনো শূকরকে নিষ্ঠুরভাবে মেরে ফেলা হয়, কখনো বুনো শূকরকে মারতে গিয়ে ফেলে রাখা বোমা খেয়ে ফেলে মৃত্যু হয় গরুর। এই কেরালাতেই কয়েক বছর আগে চার হাজারেরও বেশি পথ কুকুরকে বিষ খাইয়ে মেরে দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল গোটা দেশ। অথচ শিক্ষা নেয় নি কেরালা।

কিন্তু যাকে বলা হয় 'ভগবানের দেশ', সেই কেরালায় কেন এত পশু নির্যাতন ? কেন এই বর্বরতা ?  কেনই বা পশুদের প্রতি এতটা নির্মম অত্যাচার চালানোর সাহস পাচ্ছে কেরালার এক শ্রেণীর মানুষ ? সেটা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। পশু প্রেমীরা সকলেই বলছেন, "আমাদের দেশে পশু নির্যাতন বা হত্যা নিয়ে তেমন কঠোর কোনো আইন না থাকায় এক ধরনের মানুষ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং তারাই যথেচ্ছ পশু নির্যাতন, পশু হত্যা এবং পাচারের মত কাজে লিপ্ত থাকছে।" স্থানীয় প্রশাসন নির্বিকার। গ্রেপ্তার যে হচ্ছে না তা নয়, কিন্তু সংবিধানে কঠোর আইন না থাকায়, এরা সামান্য জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। অসহায়ভাবে মরতে হচ্ছে পশুদের।

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages