কাশ্মীর ভোল পাল্টাচ্ছে, শীঘ্রই জঙ্গীমুক্ত হবে উপত্যকা - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


কাশ্মীর ভোল পাল্টাচ্ছে, শীঘ্রই জঙ্গীমুক্ত হবে উপত্যকা

Share This
কাশ্মীর ভোল পাল্টাচ্ছে, শীঘ্রই জঙ্গীমুক্ত হবে উপত্যকা

আজ খবর (বাংলা), শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ০৬/০৮/২০২০ : জম্মু ও কাশ্মীরে গোটা উপত্যকাকে জঙ্গীমুক্ত করার  লক্ষে লাগাতার কাজ করে চলেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই নিরাপত্তা বাহিনীতে একযোগে কাজ করে চলেছে ইন্ডিয়ান আর্মি, বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, কাশ্মীর জোন পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা এজেন্সিগুলি।
দেশের আইটিবিপি (ইন্দো টিবেট বর্ডার পুলিশ) ও বিএসএফ-এর (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ডিরেক্টর জেনারেল এস এস দেশওয়াল আজ বলেছেন, "কাশ্মীর উপত্যকায় লাগাতার তল্লাশি অভিযান এবং সফলভাবে এনকাউন্টার চালানোর জন্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গীদের অনুপ্রবেশ এবং নাশকতার ঘটনা গত এক বছরে অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই বছরে আমরা জম্মু ও কাশ্মীরের ১,৩৫৬ তরুণকে বাহিনীতে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এই তরুণদের প্রাথমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে,  মহামারীর আবহে লিখিত পরীক্ষা  যায় নি। কাশ্মীরে করোনা পরিস্থিতি একটু ঠিক হয়ে  গেলেই  লিখিত পরীক্ষাও নেওয়া হবে। কাশ্মীর থেকে বহু তরুণকে আমরা সেনাবাহিনীতেও নেওয়ার ব্যবস্থা করব। "
কাশ্মীরকে জঙ্গীমুক্ত করার অভিযান চলছে অনেক দিন ধরেই। অপারেশন 'রক্ষক', অপারেশন 'অল আউট', অপারেশন 'কাম ডাউন', অপারেশন 'সর্প বিনাশ', অপারেশন 'সদ্ভাবনা ' এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যেমন কাশ্মীর  জুড়ে জঙ্গী  নিধন যজ্ঞের আয়োজন হয়েছে, তেমন সুপার -৩০, সুপার-৪০ প্রকল্পগুলির মাধ্যমে কাশ্মীরি তরুণদের শিক্ষাগত আধুনিক ট্রেনিং, নতুন স্কুল কলেজ ট্রেনিং সেন্টার তৈরি,  মহিলাদের সশক্তিকরন, মডেল গ্রাম বানানো, হেলথ কেয়ার  প্রকল্প, স্পোর্টস টুর্নামেন্ট, সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে ভূগর্ভস্ত বাঙ্কার তৈরি ইত্যাদির মাধ্যমে ক্রমাগত উন্নয়নের কাজ করে চলেছে কেন্দ্র সরকার।

২০১৪ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে যে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই সময় সেনাবাহিনী অপারেশন 'মেঘ রাহাত' চালিয়ে দুর্গম  অঞ্চলগুলি  থেকে বিপন্ন কাশ্মীরি মানুষদের উদ্ধার করে নিয়ে এসেছিল। এই সমস্ত অপারেশন চালাতে গিয়ে বহু ভারতীয় সেনা জওয়ানকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে বিগত বছরগুলিতে। বেশিরভাগ সময় প্রাণ গিয়েছে জঙ্গীদের গুলিতে বা নাশকতার কারণে। বহু সাধারণ কাশ্মীরিকেও প্রাণ দিতে হয়েছে জঙ্গীদের অপরাধমূলক নাশকতার জন্যে।
২০১৭ সালে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে মারা গিয়েছিল মোট ১৯২ জন জঙ্গী। ২০১৮ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে মোট ২৩৫ জন জঙ্গী মারা গিয়েছিল। ২০১৭ সালে জঙ্গীদের মধ্যে থ্যেকেই মোট ৮২ জন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা তরুণদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তবে এই সব সংঘর্ষে এখনো পর্যন্ত অনেক সেনা জওয়ানকেই প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। এই বছর এখনো পর্যন্ত এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে মোট ১৫০ জন জঙ্গী। গ্রেপ্তার হয়েছে অনেকেই। এই মুহূর্তে কাশ্মীরের বহু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা আটক বা গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনী আশ্বাস দিয়েছে খুব দ্রুত জম্মু ও কাশ্মীরকে পুরোপুরি জঙ্গীমুক্ত করে ফেলা হবে। ঠিক যেমন ইতিমধ্যেই ত্রাল জায়গাটিকে পুরোপুরি জঙ্গীমুক্ত ঘোষণা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আগে যেমন কাশ্মীরিদের একাংশ জঙ্গীদের সাহায্য করত  বা হয়ত করতে বাধ্য হত, এখন  কিন্তু সেই চিত্রটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন কাশ্মীরি গ্রামবাসীরা নিজেরাই এলাকায় জঙ্গী অনুপ্রবেশ নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে,পুলিশের কাছে  গোপনে খবরও  দিচ্ছে। গত কয়েক বছরে পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর কাশ্মীরি তরুণরা পাথর ছুঁড়ে মারছে না। সব মিলিয়ে অনেকটাই বদলে গিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকা। উন্নয়নের মাধ্যমে এই পরিবর্তনই চেয়েছিল  কেন্দ্র সরকার। সত্যি বলতে, জঙ্গী শীর্ষ নেতাদের এক এক করে খতম করার ফলে, কাশ্মীরে জঙ্গীদের কোমর দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। জৈশ কিংবা লস্করের মত জঙ্গী সংগঠনগুলি পাততাড়ি গোটাতে শুরু করেছে কাশ্মীর থেকে। 
গতকালই জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫এ  অবলুপ্তির প্রথম  পূর্ণ  হল, গতকাল জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গী হুমকি থাকলেও কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা .ঘটেনি সেখানে। নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজর ছিল, যাতে কোনোভাবেই  ঘটনাও .না ঘটে।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages