ভারতকে আটকাতে পাকিস্তানকে যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে চীন - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


ভারতকে আটকাতে পাকিস্তানকে যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে চীন

Share This

ভারতকে আটকাতে পাকিস্তানকে যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে চীন

আজ খবর (বাংলা), ইসলামাবাদ, পাকিস্তান, ২৫/০৮/২০২০ : ভারতকে আটকাতে এবার চীন পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজ পাঠাচ্ছে। পাকিস্তান  চীনের থেকে মোট  চারটি যুদ্ধ জাহাজ কিনছে।

ভারত যে কোনো সময় পাকিস্তানকে আক্রমন করতে পারে বলে মনে করছে ইমরান সরকার। সেক্ষেত্রে এই মুহূর্তে ভারতীয় নৌবাহিনীকে  টক্কর দিতেই পাকিস্তান চীনের থেকে মোট চারটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ কিনছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। একটি যুদ্ধ জাহাজ ইতিমধ্যেই পাকিস্তান পেয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চীনের তৈরি টাইপ ০৫৪/এ  যুদ্ধজাহাজগুলিতে থাকছে সারফেস তো সারফেস এবং সারফেস তো এয়ার মিসাইল নিক্ষেপ করার ক্ষমতা এবং বেশ কিছু অত্যাধুনিক সেন্সর।

পাকিস্তান খুব ভাল করেই ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল। আরব সাগর দিয়ে যদি হঠাৎ এগিয়ে এসে ভারতীয় নৌ বাহিনী আক্রমন করে বসে, তাহলে তাদেরকে আটকানোর ক্ষমতা পাকিস্তানের নেই। সেটা তারা খুব ভাল করেই জানে। আর সেই কারণেই প্রতিটা যুদ্ধজাহাজের জন্যে ৩৫০ মার্কিন ডলার খরচ করতে হচ্ছে পাকিস্তানকে।  এই খবর দিয়েছে ভয়েস অফ আমেরিকা। তারা জানিয়েছে, আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই চীন পাকিস্তানকে বাকি তিনটি যুদ্ধজাহাজও  পাঠিয়ে দেবে। পাকিস্তানের নৌবাহিনীর তরফ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে, "পাকিস্তান এই যুদ্ধ জাহাজ কিনছে আরব সাগরে শান্তি প্রক্রিয়া বজায় রাখার দায়বদ্ধতা থেকেই।"

পাকিস্তান যে অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজগুলি চীনের থেকে কিনছে, তা সঠিক সময়ে কতটা কাজে দেবে তা অবশ্য বলা খুব কঠিন। চীনের প্রোডাক্ট গোটা বিশ্বেই বর্জিত হয়েছে। এর আগে চীন রাশিয়াকে যে কয়টি ট্যাঙ্ক দিয়েছিল সেগুলি যুদ্ধ্যাভ্যাসের  সময়েই মুখ  থুবড়ে পড়েছিল। চীন কিছুদিন আগে যে ছোট বিমানগুলি দিয়েছিল নেপালকে, সেগুলিও এখন রানওয়ের ধারে  জঙ্গলে মুখ থুবড়ে পরে আছে, উল্টে সেই বিমান কিনতে গিয়ে নেপালকে চীনের  কাছে আরও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়তে হয়েছে। তাছাড়া যে ধরনের যুদ্ধজাহাজ চীন পাকিস্তানকে দিচ্ছে, তার থেকে অনেক উন্নত ধরনের যুদ্ধ জাহাজ রয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে। 

এছাড়াও পাহাড় প্রমাণ ঋণে ডুবে থাকা পাকিস্তান আজ চীনা ব্যবসায়ীদের পাকিস্তানের মাটিতে ব্যবসার কারনে শাখা অফিস খোলার অনুমতিও দিয়ে দিয়েছে। ইমরান সরকারের তরফ  থেকে জানানো হয়েছে, "পাকিস্তানের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেই আজ এই ধরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।" এভাবেই চীন তাদের বন্ধু দেশ পাকিস্তানকে যুদ্ধাস্ত্র দেওয়ার অছিলায় পাক অর্থনীতির মধ্যেই ঢুকে পড়ছে  একটু একটু করে। 


এদিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চীন এবং পাকিস্তান যে যৌথ উদ্যোগে নীলম-ঝিলম  ওপর বাঁধ নির্মাণ করতে হাত  লাগিয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজাফ্ফরাবাদের বাসিন্দারা। তাঁরা এর প্রতিবাদে বিশাল মশাল মিছিলও করেছে, যেখানে স্লোগান উঠেছিল, 'দরিয়া বাঁচাও, মুজাফ্ফরাবাদ বাঁচাও'। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষ যেভাবে পাকিস্তানের বিরোধিতা করে ভারতকে সমর্থন জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব জুড়ে, তাতে ইমরানের কপালে আরও কয়েকটি ভাঁজ পড়েছে। পাকিস্তানে ইমরানের বিরোধী দলগুলি কিছুদিন ধরেই প্রকাশ্যে মন্তব্য করছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে পাকিস্তান আর ধরে রাখতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনসাধারণও  চাইছে ভারতের সাথে যুক্ত হতে।

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages