মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গী হানায় প্রাণ ফিরে পাওয়া দেবিকা চরম দারিদ্রে দিন কাটাচ্ছেন - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গী হানায় প্রাণ ফিরে পাওয়া দেবিকা চরম দারিদ্রে দিন কাটাচ্ছেন

Share This

মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গী  হানায় প্রাণ ফিরে পাওয়া দেবিকা চরম দারিদ্রে দিন কাটাচ্ছেন

আজ খবর (বাংলা), মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ২৫/০৮/২০২০ :  চরম দারিদ্রের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন মুম্বইয়ে ২৬/১১র জঙ্গী হানা  থেকে  কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচিয়ে ফিরে আসা দেবিকা রোতাওয়ান।  আজ  তাঁর  মাথার ওপর তেমনভাবে ছাদটুকুও নেই। আর তাই তিনি  সরকারের কাছে একটি বাড়ি  চেয়ে আবেদন করেছেন ।

২০১১ সালের ২৬শে  নভেম্বর তারিখটা এখনো ভুলতে পারেন না দেবিকা। অভিশপ্ত সেইদিন দেবিকা দাঁড়িয়ে ছিলেন ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাসে। হঠাৎ দেখেন একটি অল্পবয়সী ছেলে অকাতরে গুলি চালিয়ে যাচ্ছে। ভয়ে একেবারে স্থবির  হয়ে গিয়েছিলেন দেবিকা।চোখের সামনে একের পর এক মানুষকে গুলি খেয়ে পড়ে  যেতে দেখছেন। রক্তের স্রোত বয়ে যাচ্ছে গোটা এলাকায়। কি করবেন আর কি করবেন না, ভাবতে ভাবতেই দেখেন সেই  চন্ডাল এবার তাঁকেই দেখতে পেয়েছে। লুকোনোর মত সাহসটুকুও তখন ছিল না দেবিকার। এর মধ্যেই তাঁকে লক্ষ করে গুলি ছুঁড়তে থাকে সেই দস্যুটা। দেবিকার ডান পায়ে এসে গুলি লাগতেই সংজ্ঞা হারান তিনি। পরে জেনেছিলেন, যে তাঁকে গুলি করেছিল, সেই পাকিস্তানী জঙ্গীর নাম আজমল কাসভ। 

এরপর জ্ঞান ফিরে আসে হাসপাতালের বিছানায়। বেশ কয়েকটি অপারেশন হয় তাঁর পায়ে। তবে ঈশ্বরের কৃপায় তিনি প্রাণ ফিরে পান। এরপর একের পর এক ভিআইপি মানুষজন নিয়ম করে তাঁর সাথে দেখা করতে আসেন। তাঁদের মুখে ছিল অপরিসীম আশ্বাসবাণী, পাশে থাকার অঙ্গীকার। মাহারাষ্ট্র সরকার কথা দিয়েছিল তাঁকে ছোট একটি বাড়ি দেবে EWS প্রকল্পের আওতায়। তাঁর পড়াশুনার দায়িত্বও নেবে মহারাষ্ট্র সরকার। এছাড়াও ছিল আরও অনেক আশ্বাসবাণী, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কথা রাখে নি মহারাষ্ট্র সরকার।

দেবিকা কোনো প্রকল্পের বাড়ি পান নি আজ পর্যন্ত। ছোটখাটো একটা চাকরি করে কোনোমতে দিন গুজরান যাও বা হচ্ছিল। অপারেশনের পর হাসপাতালের বিছানাতেই কেটে গিয়েছিল ৬ মাস, যার ফলে সেই চাকরিটাও হারিয়েছিলেন দেবিকা। তখনও পাশে এসে দাঁড়ায় নি মহারাষ্ট্র সরকার। গত কয়েকমাস যাবদ টানা লক ডাউন চলায় চরম দারিদ্রের সম্মুখীন হয়েছেন দেবিকা ও তাঁর পরিবার। এই মুহূর্তে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও নেই। ঝুপড়ির ভাড়াও তিনি মেটাতে পারছেন না. তাই তিনি মহারাষ্ট্রের উদ্ভব সরকারের কাছে নতুন করে একটি ছোট বাড়ির জন্যে আবেদন করেছেন। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের হাইকোর্টেও তিনি আবেদন করেছেন, যার শুনানি হবে চলতি সপ্তাহেই। 

সৌজন্যে : ANI

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages