কাশ্মীরকে দ্রুত জঙ্গীমুক্ত এলাকা ঘোষিত করতে চলেছে ভারত - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


কাশ্মীরকে দ্রুত জঙ্গীমুক্ত এলাকা ঘোষিত করতে চলেছে ভারত

Share This
দেশের খবর

আজ খবর (বাংলা), শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ২৫/০৭/২০২০ : জম্মু ও কাশ্মীরকে দ্রুত জঙ্গীমুক্ত করার লক্ষে নেমেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আজ শ্রীনগরের কাছেই এনকাউন্টারে খতম হল এক সশস্ত্র জঙ্গী। 
একটা সময় ছিল, যখন কাশ্মীরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ জঙ্গীদের সহায়তা করত, তাদের আশ্রয় দিত (বা দিতে বাধ্য হত), জঙ্গীদের পালিয়ে যাওয়ার পথ করে দিত, পুলিশি অভিযান হলে পুলিশ ও সেনা জওয়ানদের দিকে পাথর ছুঁড়ে মারা হত। এই চিত্রটা বর্তমানে একেবারেই বদলে গিয়েছে কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে। কেন্দ্র সরকারের কিছু বলিষ্ঠ পদক্ষেপ এই চিত্রটাকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা অবলুপ্তি করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরকে লাদাখ থেকে আলাদা করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছে। উপত্যাকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদেরকে বেছে বেছে আটক করা হয়েছে। 
সর্বোপরি কাশ্মীরের মানুষ এখন অনেকটাই বুঝতে শুরু করে দিয়েছে কাশ্মীরের ভোল পাল্টাতে চলেছে। এবার কাশ্মীর জুড়ে উন্নয়ন হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, সুযোগ সুবিধা বাড়বে, উপার্জন বাড়বে। কিন্তু কাশ্মীরের উন্নয়নে এখনো বাধা হয়ে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীদের উপস্থিতি। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে কাশ্মীর উপত্যকাকে দ্রুত জঙ্গীমুক্ত করার জন্যে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে কাশ্মীরে কর্মরত নিরাপত্তা বাহিনীকে। এই নিরাপত্তা বাহিনীতে সম্মিলিতভাবে কাজ করে চলেছেন ইন্ডিয়ান আর্মি, ইন্ডিয়ান কমান্ডো, সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, গোয়েন্দা বিভাগ এবং কাশ্মীর জোন পুলিশের জওয়ানরা। 
এই বছরের শুরু থেকেই কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে চলছে চিরুনি তল্লাশি। গোপন সূত্রে কোনো খবর এলেই মুহূর্তে সেখানে পৌঁছে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। দিনের পর দিন এই অভিযানগুলো কোমর ভেঙে দিয়েছে পাক মদত পুষ্ট  কাশ্মীরি জঙ্গীদের। এক এক করে কাশ্মীরের বহু জায়গা জঙ্গীমুক্ত হতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগেই কাশ্মীরের ত্রাল এলাকাটিকে জঙ্গীমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এবার সোপিয়ান এবং পুলওয়ামা এই দুই জায়গাকেও জঙ্গীমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে চলেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
এখন সেনা জওয়ানদের দিকে পাথর ধেয়ে আসে না। কিন্তু গোপন সূত্রে জঙ্গী লুকিয়ে থাকার খবর আসে গ্রামবাসীদের কাছ থেকেই। বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গী নিধন যজ্ঞে গ্রামবাসীরাই এখন এগিয়ে আসছে নিরাপত্তা বাহিনীকে সাহায্য করতে। শুধু তাই নয়, জঙ্গীদের মধ্যেও এতগুলো দল তৈরি হয়ে গিয়েছিল যে, তাদের মধ্যেও প্রতিযোগিতামূলক রেষারেষি, এবং তা থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে, যা নিরাপত্তা বাহিনীকে অনেকটাই সুবিধে করে দিয়েছে।
আজ শ্রীনগরের কাছেই রণবীরগড় নামে একটি জায়গায় নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে এক জঙ্গীর মৃত্যু হয়েছে। সকাল ৮টা নাগাদ জঙ্গী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে  গুলি বিনিময় শুরু হয়েছিল। এরপরেই ওই জঙ্গীকে খতম করা হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে রেখে কাশ্মীর জোন পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages