নরেন্দ্র মোদী হঠাৎ লাদাখে, সুর নরম করল চীন - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


নরেন্দ্র মোদী হঠাৎ লাদাখে, সুর নরম করল চীন

Share This
দেশের খবর

আজ খবর (বাংলা), নিমু পোস্ট, লাদাখ, ০৩/০৬/২০২০ :  প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বা সেনা প্রধান নয়, লাদাখে আজ সকালে হঠাৎ করেই সারপ্রাইজ ভিজিট করলেন দেশের প্রাদ্যানমন্ত্রী নরেন্দ্র  মোদী স্বয়ং।
গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল লাদাখে ভারত চীন সীমান্তে পরিদর্শনে যাবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী  এবং সেনা কর্তারা। মূলত সীমান্তে সেনাদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল লাদাখে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁদের লাদাখ যাত্রা বাতিল করা হয়েছিল, আর আজ সেনাদের মনোবল অটুট এবং চাঙ্গা রাখতে লাদাখে হঠাৎ করেই পৌঁছে গেলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নারন্দ্রে মোদী।
যিনি দেশের প্রধান এবং পরিবারের মুখিয়া, সেই নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে লাদাখ সীমান্তে সেনাবাহিনীর মনোবল এখন রীতিমত তুঙ্গে উঠেছে। আজ প্রধানমন্ত্রী পৌঁছে যান লাদাখের নিমু পোস্টে। যেখানকার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১,০০০ ফুট  উঁচুতে, সেখানে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও কম। প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়ে সেনা জওয়ানদের সাথে কথা বলেন, আহত জওয়ানদের দেখতে যান। সেনা বাহিনীর সাথে চা  পানও  করেন এবং তাঁদের উৎসাহ দেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জওয়ানদের জানান, "তিনি নিজে তো বটেই গোটা দেশ সেনা জওয়ানদের পাশের রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।"


দুই দেশের যুদ্ধের প্রস্তুতি কেমন চলছে সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আজ বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। সেনাবাহিনীর জওয়ানদের কাঁধে তাঁর হাত রাখা, সেনাবাহিনীর জওয়ানদের পিঠ চাপড়ে দেওয়া ইত্যাদি অবশ্যই জওয়ানদের মনোবলকে আরও চাঙ্গা করেছে। দেশের শীর্ষ নেতাকে কাছে পেয়ে সেনা জওয়ানরা 'ভারত মাতার জয়' বলে স্লোগান দিয়েছেন। যে সব সেনা জওয়ানরা লাদাখের গ্যালওয়ান ঘাঁটিতে চীনা জওয়ানদের সাথে লড়াই করে আহত হয়েছিলেন, তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করতে চলে যান নরেন্দ্র মোদী।
অন্যদিকে মোদীর এই লাদাখ যাত্রা চীনকে একটি বার্তাও পৌঁছে দিয়েছে। যেখানে লাদাখের গ্যালওয়ান ঘাঁটিতে ভারত ও চীনের জওয়ানদের মধ্যে  সংঘাতের পর ভারত শহীদ জওয়ানদের উপযুক্ত সন্মান সহকারে তাঁদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছে, আবার আজ সীমান্তে এসে প্রধানমন্ত্রী নিজে  জওয়ানদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, এবং সেনা জওয়ানদের মনোবল চাঙ্গা করেছেন, তা দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে এক কথায় অভূতপূর্ব বলা চলে। 
সংকটকালে নিজের দেশকে প্রথম সারিতে  দাঁড়িয়ে এভাবে  নেতৃত্ব দেওয়ার এই বিষয়টি গোটা বিশ্বেই প্রশংসা কুড়িয়ে নেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।  ঠিক যেভাবে এর আগে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে মোদির নেতৃত্বকে গোটা বিশ্ব কুর্নিশ করেছিল।  


উল্টো দিকে ভারতের সাথে সংঘাতের পর চীনের প্রেসিডেন্ট তাঁদের দেশে কতজন জওয়ান নিহত হয়েছেন, সেই সংখ্যাই এখনো প্রকাশ্যে আনেন নি, যা নিয়ে চীনের জনগণের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। সে দেশের জওয়ানদের দেহগুলিকে তো দূর, কয়েকজন জওয়ানদের পরিবারের হাতে তাদের দেহের ছাইভস্ম তুলে দেওয়া হয়েছিল মাত্র। চীনের কোনো সীমান্তেই প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে মোদির মত সামনে এসে এভাবে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় নি, কোনো উৎসাহ ব্যঞ্জক বিবৃতি দিতেও  দেখা যায় নি।
স্বাভাবিকভাবেই চীনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সেই হতাশার ছাপ পড়তে বাধ্য। এটাও ভারতের একরকম রণনীতি বলা যেতেই পারে। এভাবে অন্য কোনো দেশে প্রধানমন্ত্রী নিজে যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে সেনা জওয়ানদের উৎসাহ দেন, এমন  নজির  প্রায় নেই  বললেই চলে। এর ফলও ফলতে শুরু করে দিয়েছে। কারন আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাদাখ  যাত্রার মাঝেই চীন থেকে খবর এল, সীমান্ত বিবাদের বিষয়ে চীন ভারতের প্রায় সব শর্তই  মেনে নিতে রাজি আছে। এখন যথেষ্ট সুর নরম করেছে চীন।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages