এই সরকার থাকলে আর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে না : দিলীপ ঘোষ - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


এই সরকার থাকলে আর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে না : দিলীপ ঘোষ

Share This
রাজনীতি

আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২০ : আজ সকালে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে স্মরণ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ  ঘোষ। 
দিলীপ ঘোষ আজ বলেন, "অনেকেই বলেন আমরা বাংলা ভাষার কদর করি না। আমি সেইসব মানুষকে বলতে চাই, মূলতঃ শ্যামাপ্রসাদ এবং রবীন্দ্রনাথ, এই দুজন এক সময় বাংলায় বক্তৃতা করতেন। আমরা সেই সময় থেকেই বাংলা ভাষার সেবা করে আসছি। এখনো করছি। অথচ এখানকার কিছু রাজনৈতিক দল উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে শ্যামাপ্রসাদ ও তাঁর দলকে  বদনাম করে গিয়েছেন। যদি পশ্চিমবাংলাকে সত্যিই সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে এখন শ্যামাপ্রসাদের পথ আমাদের অবলম্বন করতেই হবে।"
দিলীপ ঘোষ বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "এখন রাজ্যের পরিস্থিতি খুব খারাপ। পুলিশের একাংশ এখানে শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। আমাদের বহু কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, বহু কর্মী মিথ্যা কেসে জেলে আটকে আছেন। প্রতিদিন আমাদের দলের নেতাদের হেনস্থা করা হচ্ছে, যখনই আমরা ত্রাণ দিতে গিয়েছি, আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে বিনা কারণে। আমরা নাকি লক ডাউনের শর্ত মানছি না, এই সব অভিযোগ করা হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে। অথচ এই রাজ্যে শাসক দলের নেতা কর্মীরাই লক ডাউনের শর্ত মানেন না। আজ শাসক দলের এক বিধায়ক করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, আর এক মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়েও সৌভাগ্যবশত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এগুলোই প্রমান করে কারা লক ডাউনের শর্ত মানেন নি। অথচ পুলিশ বলছে আমরা নাকি লক ডাউনের শর্ত মানি নি। পুলিশে নিয়োগের সময় পুলিশ কর্মীদের একটা শপথ গ্রহণ করতে হয়, সেই শপথ এখন পুলিশ ভুলে গিয়েছে।"
রাজ্যের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দিলীপবাবু বলেন, "যারা সিঙ্গুরে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে, তারা যদি বাণিজ্য সম্মেলন করে, তাহলে কোন শিল্পপতি সেখানে আসবেন ? যাঁরা এরপরেও আসছেন, তাঁরা একরকম বাধ্য হয়েই আসছেন বাণিজ্য সম্মেলনে। তাঁরা প্রতিবার আসেন এবং একই রকম ভাষণ দিয়ে চলে যান, কিন্তু কেউ এক পয়সা  বিনিয়োগ করেন না।"
দিলীপ ঘোষ আজ বলেন, " করোনা নিয়ে রাজ্য সরকার প্রথম থেকেই তথ্য গোপন করে আসছে। যেটুকু তথ্য দেওয়া হচ্ছে, তাও ভুলে ভরা। রোগী মারা যাওয়ার সাত দিন পরে আত্মীয় স্বজনরা  জানতে পারছেন যে রোগী মারা গিয়েছেন। কি কারণে তাঁর মৃত্যু হল তাও আত্মীয় স্বজনরা জানতে পারছেন না। যখন তাঁরা জানতে পারছেন ততদিনে মৃতদেহ মর্গে পচে নষ্ট  হয়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফাণের পর রাজ্যের কঙ্কালসার চেহারা আরও ফুটে উঠেছে। প্রতিদিন রাজ্যের কোথাও না কোথাও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিক্ষোভ চলছেই। রাজ্য সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বার বার অভিযোগের আঙ্গুল উঠছে খাদ্য দপ্তর ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দিকে, তাও রাজ্য সরকারের কোনো হেলদোল নেই। যাঁদের প্রকৃত দরকার ক্ষতিপূরণের টাকা তাঁরা পাচ্ছেন না। প্রতিদিন চাল চুরির ঘটনা ঘটছে, ত্রিপল চুরির ঘটনা ঘটছে, তাও সরকার চুপ করে আছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতির পরিবর্তন খুব প্রয়োজন। এই সরকার থাকলে আর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে না।"
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages