কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করার লক্ষে অবিচল নিরাপত্তা বাহিনী, আজ ৩ জঙ্গী নিকেষ - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করার লক্ষে অবিচল নিরাপত্তা বাহিনী, আজ ৩ জঙ্গী নিকেষ

Share This
দেশের খবর

আজ খবর (বাংলা), শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৬/০৬/২০২০ : জম্মু ও কাশ্মীরকে দ্রুত জঙ্গীমুক্ত করার লক্ষে উপত্যকা জুড়ে কাজ করছে নিরাপ্তা বাহিনী।নিয়ম করে প্রায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন এনকাউন্টার হচ্ছে, নিহত হচ্ছে বিভিন্ন গ্রামগুলিতে লুকিয়ে বসে থাকা জঙ্গীরা। প্রতিদিন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে জঙ্গীদের স্লিপার সেলের সাথে যুক্ত থাকা  বিচ্ছিন্নতাবাদী মানুষদের। আজ কাশ্মীরে ৩ জঙ্গীকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা।
জম্মু ও কাশ্মীরে উন্নয়ন করে উপত্যকাকে নতুন রূপে সাজাতে চায় কেন্দ্র সরকার। কিন্তু যে প্রধান  কারণগুলির জন্যে এই অঞ্চলে উন্নয়ন হয়নি, যে কারণগুলির জন্যে এই উপত্যাকার মানুষ পিছিয়ে পড়েছিলেন এবং হিংসার পথ  বেছে নিতে একরকম বাধ্য হচ্ছিলেন, সেই কারণগুলোকে খুঁজে বের করে কেন্দ্র সরকার চাইছে কাশ্মীর উপত্যকায় উন্নয়ন করে সেখানকার ভোল পাল্টে দিতে। এই কাজে অনেকটা পথ এগিয়ে গিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 
একেবারেই প্রথমে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের বেশ কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদেরকে আটক করে রাখা হয়েছিল, এখনো তাদের মধ্যে অনেককে আটক বা নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। এরপর কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা গুলি অবলুপ্ত করে লাদাখকে কাশ্মীর থেকে আলাদা করে কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছিল। কিন্তু এই উপত্যাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের আধিপত্য। কাশ্মীরের তরুণ সমাজকে এরা  রীতিমত মগজ ধোলাই করত ভারত সরকারের বিরুদ্ধে। একটা সময় কাশ্মীরের তরুণরা পাথর ছুঁড়ত ভারতীয় বাহিনীদেরকে লক্ষ করে। কিন্তু কেন্দ্র সরকার কাশ্মীরি তরুণ সমাজকে যেভাবে পুলিশ, আধা সেনা বা অন্যান্য বাহিনীতে নিয়োগ  করতে শুরু  করেছে এবং অন্যান্য উন্নয়নের কাজ করতে শুরু করেছে, তা কাশ্মীরি তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সেনাবাহিনীর দিকে পাথর ছোঁড়া এখন ইতিহাস।


কেন্দ্র সরকার এখন চাইছে, কাশ্মীর উপত্যকায় নতুন করে শিল্প তৈরী করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে। তাতে উপত্যাকার জীবন জীবিকার সুরাহা হবে। উপার্জন ঠিকমত থাকলে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বা সন্ত্রাসবাদীরা এই তরুণ সমাজকে অর্থের প্রলোভনে ভুলিয়ে দেশ বিরোধী কাজকর্ম করাতে পারবে না। কিন্তু তার জন্যে উপত্যকাকে জঙ্গীমুক্ত করতে হবে, আর সেই লক্ষেই এখন কাজ করে চলেছে দেশের নিরাপত্তা বাহিনী। এই বাহিনীতে রয়েছে ইন্ডিয়ান আর্মি, আধা  সেনা  ও কাশ্মীর পুলিশ। রয়েছেন  ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর আধিকারিকরাও।
চলতি বছরে কাশ্মীর উপত্যকায় মোট ৯৬ জন জঙ্গীকে নিকেশ করা হয়েছে বলে খবর  পাওয়া গিয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অনেককে। কাশ্মীর উপত্যকায় যে প্রধান জঙ্গী দলগুলি কাজ করত তাদের বেশিরভাগ জঙ্গিকেই এনকাউন্টার শেষ করে দেওয়া হয়েছে। বাকি আছে আর সামান্য কিছু। প্রতিদিন তাদেরকে ধরার জন্যে অভিযান চালাচ্ছেন নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। এই অভিযানগুলি চালাতে গিয়ে অনেক জওয়ানকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তবু নির্দিষ্ট লক্ষে সতর্ক নজর রেখে কর্তব্যে অবিচল থেকেছেন এই জওয়ানরা। লক্ষ একটাই, কাশ্মীরকে জঙ্গীমুক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা।  কিন্তু সীমান্তে শত্রুদেশগুলি চাইছে না ভারতে শান্তি থাকুক, তাই নিয়ম করে পাকিস্তান সীমান্তের ওপার থেকে গুলিগোলা চালিয়ে চলেছে। লাদাখ সীমান্তে চীন যুদ্ধের পরিবেশ তৈরী করে রেখেছে। চীনের উস্কানিতে সাড়া দিয়ে বন্ধুরাষ্ট্র নেপালও শত্রুতা করার নানা ফন্দি আঁটছে। 
আজ কাশ্মীরের সোপিয়ানের কাছে তুর্কওয়াঙ্গাম নামে একটি গ্রামে অভিযান চালিয়েছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। সেই অভিযানে আজ সকালে ৩ জন জঙ্গীকে নিকেশ করা হয়েছে। এই তিন জঙ্গীর মধ্যে একজন  জঙ্গী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের শীর্ষ কমান্ডার ছিল বলে জানিয়েছে কাশ্মীর জোন পুলিশ। এদিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লংঘন করে পাকিস্তান ফের আজ সীমান্তের ওপার থেকে গোলা  গুলি চালিয়েছে ভারতীয় গ্রামগুলিকে লক্ষ করে। এই গোলাগুলি চালানোর জন্যে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পর্যন্ত আসেনি।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages