করোনা ভাইরাস বিশ্বকে বিপদে রাখতে পারে ২০২২ সাল পর্যন্ত, দাবি মার্কিন গবেষকদের - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


করোনা ভাইরাস বিশ্বকে বিপদে রাখতে পারে ২০২২ সাল পর্যন্ত, দাবি মার্কিন গবেষকদের

Share This
আন্তর্জাতিক

আজ খবর (বাংলা), ওয়াশিংটন, আমেরিকা, ০২/০৫/২০২০ : করোনা অতিমারীর প্রকোপে গোটা বিশ্বে চলছে এক অদ্ভুত অচলাবস্থা। এই ধরনের অতিমারীর সাথে বর্তমান বিশ্বের কোনো প্রজন্মই পরিচিত নয়, এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিস্কার না হওয়ার ফলে গোটা বিশ্ব এখন এক অদৃশ্য শত্রুর সাথে অসম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
করোনা ভাইরাস রীতিমত এক অজানা, অচেনা এবং অদৃশ্য শত্রু। এই ভাইরাসের সংক্ৰমণ ক্ষমতা সম্পর্কে মানুষ কিছুটা ওয়াকিবহাল হলেও, এই ভাইরাসের সম্পূর্ণ শক্তি সম্বন্ধে তেমন কোনো ধারণা নেই মানুষের, যার জন্যে করোনা ভাইরাসের সাথে লড়াইটা আরও কঠিন হয়ে উঠছে যতদিন যাচ্ছে। 
প্রথমে চীন থেকে গোটা বিশ্বে যে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছিল, এখনো পর্যন্ত সেই ভাইরাসই জীবিত থেকে সংক্ৰমণ  ঘটাচ্ছে কিনা,  সেটা সম্বন্ধেও একমত হতে পারছেন না বিশ্বের বড় বড় গবেষকরা, কেননা এর মধ্যেই বার বার ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র দেখা যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের। প্রথমে মানব দেহে করোনা সংক্রমণের যে লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল, সাম্প্রতিক কালের করোনা ভাইরাসে সেই সব লক্ষণ কিন্তু দেখা যাচ্ছে না, এমনকি তেমন ভাবে কোনো লক্ষণই  ধরা পড়ছে না। হয়ত তার অন্য্ কোনো রকম লক্ষণ আছে, যা চিকিৎসকেরা ধরতে পারছেন না। এখন আবার চরিত্র পাল্টে কিছু কিছু দেশের দেখা যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে পায়ের আঙুলগুলিতে। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চামড়ায় এলার্জির মত দাগ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ করোনা ভাইরাস বার বার তার চরিত্র বদলাচ্ছে নাকি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রজাতির করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে, সেটাই এখনো পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারছেন না, বিশ্বের উঁচুদরের বিজ্ঞানীরা।
এরপরেও আছে, বলা হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এবার করোনার দ্বিতীয় প্লাবন বা সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হতে চলেছে, যা কিনা প্রথমে চীন থেকেই শুরু হবে। করোনা মহামারীর এই দ্বিতীয় প্লাবন ঠিক কেমন হবে সে সম্বন্ধে তেমন কোনো ধারণা  কিন্তু এই বিশ্বের নেই। শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় প্লাবনের পরে আর কতগুলো প্লাবন আসবে তাও জানা নেই মানব সভ্যতার। কীভাবে এতগুলো প্লাবন সামাল দেবে পৃথিবী, সে ব্যাপারেও অন্ধকারে গোটা বিশ্ব। 
আজ আমেরিকার মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইনফেকসাস ডিজিজ রিসার্চের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বকে বিপদের মধ্যে রাখতে পারে আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত। তবে এটা শুধু তাঁদের ধারণা  মাত্র, কোনো সিদ্ধান্ত নয়, তবে তার আগে যে করোনার হাত থেকে বিশ্ব বাসীর রেহাই নেই, সেটা জোর দিয়ে তাঁরা দাবি করেছেন। এই মুহূর্তে বিশ্বের বেশ কিছু দেশ লক ডাউন তুলে দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে যখন চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে, তখন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এমন একটা ধারণার কথা জানাল বিশ্ববাসীকে। অনেকটা গবেষণার পথ পেরিয়েই একটা ধারণায় আসা যায়। তাই এই বক্তব্যকে ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না কোনোমতেই। 
গোটা বিশ্বে  এখনো পর্যন্ত ৩২ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই করোনা ভাইরাসে এবং ২ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যে সংখ্যাটা প্রতিদিন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। মিনেসোটার গবেষকরা বলছেন, 'সাংঘাতিক ছোয়াঁচে এই করোনা ভাইরাস। চুপিসারে এক মানব দেহ থেকে আর এক মানব দেহে সংক্রমিত হয়ে যায়। সাধারণ ফ্লু-এর থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী এই মারণ ভাইরাস। একে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় হল এর নিখুঁত প্রতিষেধক আবিস্কার করা, না হলে আগামী দিনগুলিতে বিশ্বের ৬০% থেকে ৭০% শতাংশ মানুষ এই মারণ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।' এই রোগ সম্বন্ধে যেটুকু জানা গিয়েছে, গোটা বিশ্ব এখন সেই অনুযায়ী নিজেদের মত হাতিয়ার তৈরী করে নিজেদের মত করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ কোনো রকমে ঠেকিয়ে রেখেছে এই ভাইরাসকে। কিন্তু এই ভাইরাসকে বধ করার কোনো উপায় জানা নেই আজকের মানব সভ্যতার।  তাই সবরকম পরিস্থিতির জন্যে মানসিকভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত রাখার ডাক দিয়েছেন মিনেসোটার গবেষকরা।
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages