লক ডাউনে মাঠে মারা গেল হিমাচলের পর্যটন, ক্ষতির অঙ্ক বিশাল - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


লক ডাউনে মাঠে মারা গেল হিমাচলের পর্যটন, ক্ষতির অঙ্ক বিশাল

Share This
দেশের খবর
লক ডাউনে শুনশান মানালির পথঘাট 

আজ খবর (বাংলা),সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ০৭/০৫/২০২০ :  গরমকাল আসলেই সমতলের মানুষ ছুটে যান পাহাড় ভ্রমণে, আর সেই ভ্রমনের অন্যতম সেরা গন্তব্য হয়ে ওঠে হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রগুলি। কিন্তু গরমের সময় লক ডাউন চলায় পর্যটক শূন্য হিমাচল প্রদেশ, সমস্যায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
হিমাচল প্রদেশ দেশের অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র। বিশেষ করে গরমকালে সেখানে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে, কিন্তু গোটা দেশে লক ডাউন চলতে থাকায় গ্রীষ্মের এই মরসুমে পর্যটক শূন্য হয়ে রয়েছে হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গা। প্রায় গোটা হিমাচল জুড়েই ছড়িয়ে রয়েছে পর্যটনকেন্দ্র,  এর মধ্যে রাজধানী সিমলা, কুলু, মানালি, কল্পা, কাজা,  কিন্নর, ডালহৌসি, ধরমশালা, চাম্বা, খাজিয়ার এই জায়গাগুলি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু দেশজুড়ে করোনা মহামারীর মোকাবিলা করার জন্যে লক ডাউনের ফলে এই জায়গাগুলি যেখানে অন্য্ বছরগুলিতে পর্যটকের ভিড়ে জমজমাট  হয়ে থাকত, সেখানে এখন ধু ধু করছে। 
হিমাচল প্রদেশের মানুষদের কাছে অন্যতম প্রধান জীবিকা হল পর্যটন। সেখানে কেউ হোটেল করেছেন, কেউ গ্রামের বাড়িতেই খুলেছেন হোম স্টে, কেউ রেস্টুরেন্ট চালান, কেউ গাড়ি ভাড়া দেন অর্থাৎ ট্যাক্সি চালান, কেউ গাইডের কাজ করেন, কেউ অভিযাত্রীদের বিভিন্ন সামগ্রী ভাড়া বা সাপ্লাই দেওয়ার কাজ করেন, কেউ নিছক কুলি হিসেবে কাজ করেন, কেউ হয়ত ঘোড়া চালিয়ে জীবিকা উপার্জন করেন। এবছর লক ডাউন চলার জন্যে এই সব মানুষের মাথায় হাত পড়েছে। পর্যটক নেই, তাই উপার্জন নেই, অথচ ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা চেপে আছে মাথার ওপর. প্রতিমাসে নিয়ম করে গুনতে হচ্ছে ইএমআই-এর টাকা।
হোটেল যাঁরা চালান তাঁদের মধ্যে একজন বলছিলেন, "এপ্রিল মে মাসে আমাদের সবচেয়ে ভাল ব্যবসা হয়। এবার লক ডাউন চলতে থাকায় আমরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি। এপ্রিল, মে আর জুন এই তিন মাস কেটে যাওয়া মানে আমাদের এই বছরের মত ব্যবসা শেষ হয়ে গেল। অক্টবর  মাসে কিছু ব্যবসা হয় বটে, তবে বরফ পড়তে থাকায় কিছুদিনের মধ্যে সেই ব্যবসাও বন্ধ করে দিতে হয়, কেননা ওই সময় বেশ কিছু রুট বন্ধ হয়ে যায়। আমরা ভেবেই পাচ্ছি না, কিভাবে আমরা কর্মীদেরকে বেতন দিয়ে যাব।"
হিমাচলের ট্যাক্সি অপারেটররাও রয়েছেন সমস্যায়। তাঁদের বক্তব্য, "আমাদের এখানে পুরো ট্যাক্সি ইন্ডাস্ট্রি পর্যটকদের ওপর নির্ভর করে চলে। এতদিন ধরে লক ডাউন চলায় আমরা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছি। এখানকার সাধারণ মানুষ ঘর থেকেই বের হচ্ছেন না,  লক ডাউন চলায়, তাহলে আর কার ট্যাক্সির প্রয়োজন হবে ! আমাদের প্রতিমাসে ব্যাংকের ইএমআই জমা দিতে হচ্ছে। গাড়ির রক্ষনাবেক্ষন করতে হচ্ছে, গ্যারেজের ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমরা যদি রোজগার না করতে পারি এতসব কিছু করে তারপর আমরা খাব কি ? সরকার যদিও বলছে ব্যাংকের ইএমআই এখনই না দিলেও চলবে, সরকার যদি সেই ব্যবস্থা করেও, সেটাও আমাদের কাছে যথেষ্ট হবে না। আমরা চাইছি, সরকার যেন অন্তত  এক বছরের জন্যে ইএমআই মকুব করার ব্যবস্থা করে দেয়। তবেই এই সঙ্কটে আমরা রক্ষা পাব।"
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages