২০টি শিশুকে অপহরণ করল এক খুনি, উত্তর প্রদেশে টানটান উত্তেজনা - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


২০টি শিশুকে অপহরণ করল এক খুনি, উত্তর প্রদেশে টানটান উত্তেজনা

Share This
দেশের খবর

আজ খবর (বাংলা), ফারুকবাদ, উত্তর প্রদেশ, ৩০/০১/২০২০ : জন্মদিনের জন্যে  নিমন্ত্রণ করে বাড়িতে ডেকে শিশুদের পণবন্দি করল এক ব্যক্তি। ঘটনাটি কিছুক্ষণ আগে সন্ধ্যেবেলায় ঘটেছে উত্তর প্রদেশের ফারুকবাদের কাছে কাসারিয়া গ্রামে। ব্যক্তিটির নাম সুভাষ ভাতাম।  
যে ব্যক্তি এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, সে নিজে একজন খুনের আসামি ছিল, সে জেল খাটছিল। কিছুদিনের জন্যে সে জেল থেকে বাইরে বেরিয়েছে, আর তার মধ্যেই এরকম একটি কাণ্ড  সে ঘটিয়ে ফেলল। এদিন জন্মদিনের খাওয়া দাওয়ার জন্যে সে শিশুদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিল। শিশুরা তার বাড়িতে গেলে সে দরজা জানলা সব বন্ধ  করে দিয়েছে। বাইরে থেকে কেউ কথা বলতে গেলে ভিতর থেকে সে গুলি ছুঁড়ছে। 
শিশুদেরকে উদ্ধার করার জন্যে পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী বাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে। উত্তর প্রদেশ পুলিশের এডিজি পিভি রামা  শাস্ত্রী বলেন, "গোটা ঘটনাটি মনিটরিং করছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ; শিশুদেরকে বাড়িটির নিচের কোনো কুঠুরিতে রাখা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।আমরা সব রকম ভাবে চেষ্টা করছি শিশুদেরকে অক্ষত ভাবে উদ্ধার করতে।এখনো পর্যন্ত ওই ব্যক্তি মোট সাতটি গুলি চালিয়েছে। "
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অপহরনকারী ব্যক্তির মানসিক ভারসাম্য পুরোপুরি ঠিক অবস্থায় নেই; অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা যাতে ঘটে না যায় তার জন্যেই এনএসজি কমান্ডোদের ঘটনাস্থলে আনা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌ থেকে ২০০ কিলোমিটার দুরে টান টান উত্তেজনা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার এবং ২০টি শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে আনার প্রানপন চেষ্টা করে চলেছে উত্তরা প্রদেশের পুলিশ।

নিউজ আপডেট  : রাত্রি ২:৪৫ : উত্তর প্রদেশ সরকার দিল্লী থেকে এনএসজি কমান্ডো  চেয়ে পাঠানোর পর কমান্ডোদের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের বাহিনী আততায়ীকে গুলি করে মারে। শিশুদের জন্মদিনের নিমন্ত্রণ করে আটকে রেখে পণবন্দি করে আততায়ী নানারকম দাবি দাওয়া পেশ করছিল, এবং পুলিশের ওপর চাপ বাড়াতে বাড়ির ভিতর থেকে গুলিও ছুঁড়েছিল। পুলিশের তরফ থেকে বাড়ির বাইরে থেকে দরদস্তুর চালিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেইভাবেই একটি শিশুকে উদ্ধার করে আনতে সফল হয় পুলিশ। কিন্তু আর কোনো শিশুকেই ছেড়ে দিতে রাজি হচ্ছিল না আততায়ী সুভাষ ভাতাম। এরপরেই এনকাউন্টারের সিদ্ধান্ত নেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। তারপর গুলি করে মারা হয় ওই আততায়ীকে। প্রত্যেক শিশুকেই উদ্ধার করা হয় সুরক্ষিতভাবে। হাঁফ ছেড়ে বাঁচে প্রশাসন।

নিউজ আপডেট : রাত্রি ৩:২৫ : আততায়ী সুভাষকে গুলি করে মারার পর সুভাষের স্ত্রী ঘটনাস্থল থেকে পালাতে গেলে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা তাকে ধরে ফেলে ব্যাপক মারধর করে পুলিশের সামনেই। গ্রামের শিশুদের অপহরণ করে রাখার পিছনে এই মহিলাও সমানভাবে যুক্ত ছিল, তাই এই মহিলাকে ব্যাপক মারধর করে ক্ষিপ্ত জানতা । এরপর ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও সে মারা যায়; পুরো ঘটনায় সাফল্য পাওয়ার জন্যে পুলিশের টিমকে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ১০ লক্ষ  টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন।

Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages