দিল্লীর প্রবল ঠান্ডায় ফুটপাথে এইমসের দুঃস্থ রোগীরা - আজ খবর । দেখছি যা লিখছি তাই । ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্যতম শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম

Sonar Tori


দিল্লীর প্রবল ঠান্ডায় ফুটপাথে এইমসের দুঃস্থ রোগীরা

Share This
 দেশের খবর

আজ খবর (বাংলা), নতুন দিল্লী, ২৯/১২/২০১৯ : দিল্লী এইমসের চূড়ান্ত অমানবিক মুখ দেখতে পাওয়া গেল; দিল্লীতে এই মুহূর্তে কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া। তাপমাত্রা রয়েছে ২ ডিগ্রির আশেপাশে। দূর দূরান্ত থেকে দিল্লীর এইমসে চিকিৎসা করতে আসা দেশের গরিব মানুষদের রাতে এইমস হাসপাতাল থেকে রাস্তায় বের করে দেওয়া হল। 
এইসব গরিব মানুষের কাছে দিল্লীতে থাকা বা খাওয়ার মত্ সামর্থ নেই। কিন্তু দিল্লীর কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই এই মানুষগুলোকে হাসপাতালে ঠাঁই না দিয়ে নির্মমভাবে রাস্তায় বের করে দেওয়া হল; এই সব মানুষ কোনো ক্রমে রাস্তার ফুটপাথে প্লাস্টিক টাঙ্গিয়ে টিঁকে রয়েছেন। উত্তর প্রদেশ, বিহার বা অন্যান্য রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে এই হতদরিদ্র মানুষগুলি দিল্লীর এইমসে এসেছিলেন একটু চিকিৎসা পেতে, কিন্তু সেইসব রোগী এবং তাদের সাথে থাকা আত্মীয় স্বজনদের হাসপাতালের বিশাল অট্টালিকাটির একটি কোনেও  ঠাঁই দিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অগত্যা ফুটপাথেই প্লাস্টিক টাঙ্গিয়ে তৈরী করে নিতে হল অস্থায়ী আস্তানা।


উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরের কাছ থেকে আসা এক মধ্যবয়স্কা মহিলা বলছিলেন, " আমি এখানে এসেছি ১২ দিন হয়ে গেল, এখানে খাবারের দাম খুব বেশি। যে সমস্ত সহৃদয় মানুষ গরিবদের খাবার বিতরণ করেন আমি তাঁদের দয়াতেই বেঁচে রয়েছি, আর এখানে চিকিৎসা করাচ্ছি। বিহারের পূর্ণিয়া থেকে আসা ধনঞ্জয় কুমার বলছিলেন,"আমি এখানে গত এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসা করাচ্ছি, সন্ধ্যে নামার আগেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের বাইরে বের করে দেয়, সকালের আগে ভিতরে ঢুকতে দেয় না। এই ঠান্ডায় আমরা কোথায় যাব ! কোথায় থাকব ! আমি নিজেই খুব অসুস্থ। দিল্লীর এই প্রচণ্ড ঠান্ডায় কোনোভাবে একটা প্লাস্টিকের চাদরের নিচে থাকতে থাকতে আমি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছি"।
উত্তর প্রদেশের বদায়ুন থেকে আসা অর্চনা বলছিলেন, "আমরা দিল্লীতে এসে খুব সমস্যায় পরে গিয়েছি, এখন চিকিৎসা না করে ফিরেও যেতে পারছি না, এখানে শৌচালয় নেই, সন্ধ্যের পর থেকে হাসপাতালে ঢুকতে দেয় না, তাই শৌচাগার ব্যবহার করতে পারি না। গত দুই সপ্তাহ স্নাণও করতে পারি নি।"
 দিল্লী বিশ্ব বিদ্যালয় এলাকায় গতকাল তাপমাত্রা ছিল সবচেয়ে  বেশি ৪.৯ ডিগ্রি, নাহারগড়ে  ছিল ৩.৮, জাফরপুর ও পালামে ছিল ৩.১, সাফদারজংগে ছিল ২.৪, আয়া নগরে ছিল ১.৯ এবং দিল্লীর লোধি রোড এলাকায় ছিল ১.৭ ডিগ্রি। 
এই প্রচণ্ড ঠান্ডায় বেশ কিছু অসুস্থ দরিদ্র মানুষ প্লাস্টিক টাঙ্গিয়ে দেশের রাজধানীর সবচেয়ে ভাল হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন, তারপরেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নির্বিকার থাকছেন, এর চেয়ে বড় অমানবিকতার উদাহরণ আর কিই বা হতে পারে !

সৌজন্যে : ANI
Loading...

Amazon

https://www.amazon.in/Redmi-8A-Dual-Blue-Storage/dp/B07WPVLKPW/ref=sr_1_1?crid=23HR3ULVWSF0N&dchild=1&keywords=mobile+under+10000&qid=1597050765&sprefix=mobile%2Caps%2C895&sr=8-1

Pages